12.1 C
New York
শুক্রবার, জানুয়ারি ২১, ২০২২
Home এভিএএস বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির শৃঙ্খল মুক্তির নায়ক

বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির শৃঙ্খল মুক্তির নায়ক

বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির শৃঙ্খল মুক্তির নায়ক। অবিসংবাদিত নেতা। আলোর পথের যাত্রী। এক সফল রাষ্ট্রনায়ক। কিন্তু এ সবকিছু ছাপিয়ে তিনি এক বহুমাত্রিক অনন্য ব্যক্তিত্ব। নির্জন কারাগারের প্রকোষ্ঠে বসে লিখেছেন জীবনের গল্প। তাঁর ভ্রমণকাহিনি এক অনুপম সাহিত্য। আবার এই মানুষটিই খেলার মাঠের নায়ক। আবার ক্রীড়া সংগঠক। সব ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন প্রায় সমান পারদর্শী।

বঙ্গবন্ধুর গ্রামের বাড়িতে খেলাধুলার সংস্কৃতি ছিল। ফুটবলের প্রতি ছিল তার অন্যরকম ভালোবাসা। আর এটা পেয়েছিলেন তিনি তার বাবার কাছ থেকেই। ছোটবেলায় বাবাকে দেখেই ফুটবল খেলতেন। তাঁর বাবা ছিলেন গোপালগঞ্জ দায়রা আদালতের সেরেস্তাদার। কিন্তু ভালো ফুটবল খেলতেন। গোপালগঞ্জের প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টে নিয়মিত খেলতেন। তিনি ছিলেন গোপালগঞ্জ অফিসার্স ক্লাব দলের অধিনায়ক ও সেক্রেটারি।

আজ অনেকের কাছেই খেলার জগতের বঙ্গবন্ধু অপরিচিত। তাঁর সীমাহীন দেশপ্রেম ও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা প্রায় একই সুতোয় গাঁথা। ছোট বেলায় গোপালগঞ্জ আসার আগে টুঙ্গিপাড়ার নামকরা হাডুডু খেলোয়াড় ছিলেন। মাঝেমধ্যে পাশের শহর বরিশাল ও যশোরে যেতেন হাডুডু খেলতে। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় ফুটবল মাঠ দাপিয়ে বেড়াতেন।

বাপ-ছেলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা
তখন ১৯৪০ সাল। তিনি গোপালগঞ্জের মিশন স্কুলের ছাত্র। খেলাধুলার প্রতি ভীষণ আগ্রহ। প্রিয় ছিল ফুটবল খেলা। স্কুল জীবনে নাম লিখিয়েছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা ফুটবল দলে। বিশেষ করে ফুটবল খেলতেন দারুণ। তিনি আবার মিশন স্কুলের ফুটবল দলের ক্যাপ্টেনও। এলাকায় যারা ভালো খেলতেন বঙ্গবন্ধু তাদের এই স্কুলে ভর্তি করতেন। বেতন ফ্রি করে দিতেন। এভাবে মিশন স্কুলে একটি চৌকস ফুটবল দল গড়ে ওঠে। ফুটবলের প্রতি ছিল তাঁর অপার ভালোবাসা। এরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে। সেসব স্মৃতির কথা মনে করে আত্মজীবনীতে লিখেছেন, ‘আমার আব্বাও ভালো খেলোয়াড় ছিলেন। তিনি অফিসার্স ক্লাবের সেক্রেটারি ছিলেন। আমি মিশন স্কুলের ক্যাপ্টেন ছিলাম। আব্বার টিম আর আমার টিমের যখন খেলা হতো, তখন জনসাধারণ খুব উপভোগ করত। আমাদের স্কুল টিম খুব ভালো ছিল। মহকুমায় যারা ভালো খেলোয়াড় ছিল, তাদের এনে ভর্তি করতাম এবং বেতন ফ্রি করে দিতাম। ১৯৪০ সালে আব্বার টিমকে আমার স্কুল টিম প্রায় সকল খেলায় পরাজিত করল। অফিসার্স ক্লাবের টাকার অভাব ছিল না। খেলোয়াড়দের বাইরে থেকে আনত। সবাই নামকরা খেলোয়াড়।’

একাবার বঙ্গবন্ধু ও তাঁর বাবার ফুটবল দলের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সেটা ছিল ‘এ জেড খান শিল্ড’ খেলা। বাপ-বেটা দু’দলের মধ্যে খেলা হবে। ভীষণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা। অফিসার্স ক্লাবের অনেক টাকা। তারা বাইরে থেকে ভালো খেলোয়াড় আনে। বঙ্গবন্ধুর টিমের প্রত্যেকেই মিশন স্কুলের শিক্ষার্থী। একই প্লেয়ার প্রতিদিন খেলে। প্রায় সারা বছর খেলা চলল। বছরের শেষে ফাইনাল খেলার সময় অফিসার্স ক্লাব টিমের সঙ্গে পরপর পাঁচ দিন ড্র হলো। বঙ্গবন্ধু বললেন যে তাদের প্লেয়াররা অনেক ক্লান্ত। দুই তিন দিন বিশ্রাম নিয়ে আবার খেলবে।

কিন্তু তাঁর বাবা এটা মানতে রাজি হলেন না। তিনি বললেন যে কালই খেলতে হবে। প্লেয়ার রাখা যাবে না। অনেক টাকা দিতে হয়। বঙ্গবন্ধুর বাবার দলে প্রতিদিনই নতুন খেলোয়াড় খেলতেন। অফিসার্স ক্লাবের টাকা আছে। প্রতি ম্যাচে তারা নতুন প্লেয়ার নামাত। বঙ্গবন্ধুর দলের একই প্লেয়ার প্রতিদিন খেলার জন্য তারা অনেক ক্লান্ত হয়ে যেত। শেষ পর্যন্ত এটা নিয়ে বেশি জটিলতা হলো। বঙ্গবন্ধু বললেন, ‘তাঁর প্লেয়াররা কাল খেলতে পারবে না।’ বাবা বললেন, ‘কালই খেলতে হবে।’ গোপালগঞ্জ ফুটবল ক্লাবের সেক্রেটারি বিষয়টি সুরাহা করার চেষ্টা করেন। তিনি একবার বঙ্গবন্ধুর কাছে যান। আরেকবার বাবার কাছে যান।

কিন্তু যে যার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর বাবা স্কুলের হেড মাস্টার বাবু রস রঞ্জন সেনগুপ্তের কাছে গেলেন। তাঁর মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করলেন। হেড মাস্টার বঙ্গবন্ধুকে ইংরেজি পড়াতেন। তিনি বললেন, ‘মুজিব তুমি তোমার বাবার কাছে হার মান। কালই খেল। তা না হলে তাঁদের অনেক অসুবিধা হবে।’ বঙ্গবন্ধু বললেন, স্যার আমাদের ছেলেরা অনেক ক্লান্ত। বিশ্রাম না নিয়ে খেললে আমরা হেরে যাব। এ বছর তো একটা খেলায়ও হারিনি।’

শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুকে বাবার কাছে দুইবার হারতে হলো। প্রথম হার হলো পরের দিনই খেলতে হলো। আর দ্বিতীয় হার হলো, ফুটবল খেলায় এক গেল হেরে যেতে হলো। বঙ্গবন্ধুর ফুটবল দলের আর ‘এ জেড খান শিল্ড’ জেতা হলো না। কিন্তু দুই দলের মধ্যে ভীষণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতো। ফুটবল প্রেমীরা বাপ-বেটার ফুটবল দলের খেলা প্রাণভরে উপভোগ করতেন।

ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে বঙ্গবন্ধু
১৯৪০ সাল। মাঠের অসাধারণ সাফল্য দিয়ে একদিন বঙ্গবন্ধু জায়গা করে নেন ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে। দেশের সেরা খেলোয়াড়েরা তখন এই ক্লাবে খেলতেন। ওয়ান্ডারার্সের জার্সি গায়ে বঙ্গবন্ধু খেলতেন স্ট্রাইকার পজিশনে। ১৯৪৩ সালে বগুড়ায় এক ফুটবল টুর্নামেন্ট হয়। বঙ্গবন্ধুর অধিনায়কত্বে সে টুর্নামেন্টে ওয়ান্ডারার্স শিরোপা জিতেছিল। এই ক্লাবে ভলিবল, বাস্কেটবল ও হকিতে মাঠে নেমেছেন তিনি। এখানেই থেমে থাকেননি। বঙ্গবন্ধু বেশ কিছুদিন ক্লাবটির সাংগঠনিক দায়িত্বও পালন করেন।

১৯৩৭ সালে পুরান ঢাকার বাসিন্দারা এই ক্লাবটি গড়ে তুলে। অল্প দিনের মধ্যেই এটি দেশের একটি জনপ্রিয় ক্লাব হয়ে ওঠে। পঞ্চাশের দশকে ফুটবলে এই ক্লাব ৭ বার লীগ শিরোপা জেতে। এর মধ্যে টানা চারবার শিরোপা জেতার রেকর্ড আছে। দেশের ফুটবলের ইতিহাসে এটা আজও এক দারুণ সাফল্য। কিন্তু তখন এই ক্লাবটির এমন সাফল্যের পেছনে বঙ্গবন্ধুর ছিল অনন্য ভূমিকা।

ফুটবল ছাড়াও ব্যাডমিন্টন, দাবাসহ বিভিন্ন খেলায় তিনি পারদর্শী ছিলেন। ধীরে ধীরে রাজনীতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। মনের অজন্তেই ইতি ঘটে খেলার জীবনের।

খেলার উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু
১৯৭২ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের কান্ডারি বঙ্গবন্ধু। পাহাড় সমান সমস্যার মধ্যেও খেলাধুলাকে তিনি ভীষণ গুরুত্ব দেন। বাহাত্তরের ফেব্রুয়ারিতেই গঠন করেন জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। আর্থিক সংকটের মধ্যেও দেশের খেলাধুলার অবকাঠামো উন্নয়নে সাধ্যমতো চেষ্টা করে যান। দেশের শীর্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো তাঁর হাতেই গড়া। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৪ সালে ফিফার সদস্যপদও পায় বাংলাদেশ।

১৯৭২ সালেই বাংলাদেশ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু। এটাই বর্তমানের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সে সময় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিবি) যা বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৭২ সালে। ফেব্রুয়ারি মাস। ঢাকা স্টেডিয়াম। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ফুটবল ম্যাচ। দুটি দল হলো বঙ্গবন্ধু একাদশ ও রাষ্ট্রপতি একাদশ। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সবাইকে নিয়ে গড়া হলো বঙ্গবন্ধু একাদশ। আর বাছাইকৃত ফুটবলারদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি একাদশ। খেলায় রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর দল ২-০ গোলে জয়ী হয়েছিল। সেদিনও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাঠে উপস্থিত ছিলেন।

সে বছর মোহনবাগান ফুটবল দলের সঙ্গে ঢাকায় খেলা হয়। তখন খেলার আগে মাঠে এসে তিনি খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করেন। বাংলাদেশের প্রখ্যাত ফুটবল খেলোয়াড় কাজী সালাহউদ্দিন বলেন, শুধু বঙ্গবন্ধুই নন, তার পুরো পরিবারটিই খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। শেখ কামাল আবাহনী ক্লাব গঠনের পর বঙ্গবন্ধু নির্দেশ দিয়েছিলেন, কোন রাজনীতিবিদ যেন ক্লাবের সঙ্গে জড়িত না থাকেন।

রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মঞ্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৭৩ সালের ফেব্রুয়ারি। ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় নিখিল ভারত গ্রামীণ ক্রীড়া টুর্নামেন্ট। তখন মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন লুৎফুন নেসা বকুল। তাঁর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু এক নারী দল ভারতে পাঠিয়েছিলেন।

সে বছর সোভিয়েত ইউনিয়নের এক ফুটবল দল ঢাকায় খেলতে আসে। বঙ্গবন্ধু শেখ রাসেলকে নিয়ে সেই খেলা দেখেন। কাজী সালাহউদ্দিন বলেন যে, শেখ কামালের নেতৃত্বে তাঁরা একবার আইএফএ শিল্ড খেলার জন্য ভারত সফরে গিয়েছিলেন। তখন বঙ্গবন্ধু ফোন করে কামালকে বলেছিলেন যে, সব খেলোয়াড়কে যেন জানিয়ে দেয় তাঁরা যদি চ্যাম্পিয়ন হয় বিমানে করে তাঁদের দেশে আনা হবে। আরেকবার দেশের খেলোয়াড়েরা মালয়েশিয়ায় মারদেকা কাপে খেলতে যাবেন। বঙ্গবন্ধু সবাইকে ডেকে চা-বিস্কুট আপ্যায়ন করে বললেন, ‘যাও ভালো করে খেলো। দেশের মান রাখবে কিন্তু।’
তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের হাজারো কাজে ব্যস্ত। তারপরও খেলার প্রতি কতটা ভালোবাসা থাকলে এতটা খোঁজ রাখেন। সত্যি এটা বিরল। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বঙ্গবন্ধুর বিশাল অবদান রয়েছে। তিনিই ক্রীড়া ক্ষেত্রে বড় স্বপ্ন দেখার সাহস দেখিয়েছিলেন।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার না হলে বাংলাদেশের ক্রীড়াজগতের ইতিহাস লেখা হতো আজ অন্যভাবে। যে দেশের জাতির পিতা খেলোয়াড় ও দক্ষ সংগঠক, সে দেশের খেলাধুলা কোনোভাবেই পিছিয়ে থাকতে পারে না। চলবে…

RELATED ARTICLES

বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির শৃঙ্খল মুক্তির নায়ক

বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির শৃঙ্খল মুক্তির নায়ক। অবিসংবাদিত নেতা। আলোর পথের যাত্রী। এক সফল রাষ্ট্রনায়ক। কিন্তু এ সবকিছু ছাপিয়ে তিনি এক বহুমাত্রিক অনন্য ব্যক্তিত্ব। নির্জন...

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক হতে চাইলে

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সব জেলা থেকে সৈনিক পদে লোক নেবে বলে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এই বাহিনীতে সাধারণ (জিডি) ও কারিগরি পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে।...

অমিক্রনের ঢেউ মোকাবিলায় সব দেশকে প্রস্তুত থাকতে বলল ডব্লিউএইচও

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) উদ্বেগ সৃষ্টিকারী নতুন ধরন অমিক্রনের সংক্রমণ বৃদ্ধি ও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বিশ্বের দেশগুলোকে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির শৃঙ্খল মুক্তির নায়ক

বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির শৃঙ্খল মুক্তির নায়ক। অবিসংবাদিত নেতা। আলোর পথের যাত্রী। এক সফল রাষ্ট্রনায়ক। কিন্তু এ সবকিছু ছাপিয়ে তিনি এক বহুমাত্রিক অনন্য ব্যক্তিত্ব। নির্জন...

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক হতে চাইলে

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সব জেলা থেকে সৈনিক পদে লোক নেবে বলে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এই বাহিনীতে সাধারণ (জিডি) ও কারিগরি পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে।...

অমিক্রনের ঢেউ মোকাবিলায় সব দেশকে প্রস্তুত থাকতে বলল ডব্লিউএইচও

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) উদ্বেগ সৃষ্টিকারী নতুন ধরন অমিক্রনের সংক্রমণ বৃদ্ধি ও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বিশ্বের দেশগুলোকে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে...

ইছামতি টেকনিক্যাল এণ্ড বিএম কলেজ, পারুলিয়া, দেবহাটা, সাতক্ষীরা এর নতুন ভবন নির্মান

সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়াস্থ ইছামতি টেকনিক্যাল এণ্ড বিএম কলেজ এর নতুন ভবন নির্মানের কাজ  উদ্বোধন করেন, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তথা এভিএএস সংস্থার চেয়ারম্যান...

Recent Comments